আমাদের কথা
জুলাই ভিকটিমস অ্যাসোসিয়েশন (জেভিএ) জুলাই–আগস্ট ২০২৪ অভ্যুত্থানের শহীদ ও আহতদের স্মৃতি সংরক্ষণে কাজ করে। আমাদের লক্ষ্য পরিবারকে সহায়তা করা, ন্যায়বিচারের দাবিতে দলিল প্রস্তুত করা এবং জনসাধারণকে সত্য তথ্য দেয়া।
জুলাই অভ্যুত্থান কী?
জুলাই অভ্যুত্থান ছিল ২০২৪ সালের জুলাই–আগস্ট মাসে বাংলাদেশজুড়ে সংঘটিত এক গণআন্দোলন। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের নেতৃত্বে শুরু হওয়া কোটা সংস্কার আন্দোলন দ্রুতই সাধারণ মানুষের অংশগ্রহণে এক ঐতিহাসিক গণঅভ্যুত্থানে রূপ নেয়। ৫ আগস্ট ২০২৪ তারিখে দীর্ঘ পনেরো বছরের কর্তৃত্ববাদী শাসনের অবসান ঘটে।
কেন এই আন্দোলন হয়েছিল?
- বৈষম্যমূলক কোটা ব্যবস্থা: সরকারি চাকরিতে ৫৬% কোটা পুনর্বহাল করার হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে শিক্ষার্থীরা রাস্তায় নামে।
- বেকারত্ব ও অর্থনৈতিক বৈষম্য: শিক্ষিত তরুণদের চাকরির সংকট ও ক্রমবর্ধমান জীবনযাত্রার ব্যয় ক্ষোভ বাড়িয়ে তোলে।
- গণতান্ত্রিক অধিকার হরণ: মত প্রকাশের স্বাধীনতা, গুম-খুন, বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড ও বিতর্কিত নির্বাচন জনগণকে ক্ষুব্ধ করে তোলে।
- রাষ্ট্রীয় সহিংসতা: শান্তিপূর্ণ আন্দোলনকারীদের ওপর পুলিশ, র্যাব ও দলীয় ক্যাডারদের গুলিবর্ষণ আন্দোলনকে সারাদেশে ছড়িয়ে দেয়।
যে মূল্য দিতে হয়েছে
এই আন্দোলনে দেড় হাজারের বেশি মানুষ শহীদ হন এবং হাজার হাজার মানুষ আহত হন—যাদের অনেকেই চিরদিনের জন্য পঙ্গুত্ব বরণ করেছেন বা দৃষ্টিশক্তি হারিয়েছেন। শহীদদের মধ্যে ছিলেন স্কুল-কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী, শ্রমিক, রিকশাচালক, শিশু ও সাধারণ পথচারী। তাঁদের আত্মত্যাগ বাংলাদেশের ইতিহাসে নতুন অধ্যায় রচনা করেছে।
আমরা কী করি
- যাচাইকৃত ভিকটিম প্রোফাইলের একটি উন্মুক্ত ও অনুসন্ধানযোগ্য তালিকা।
- পরিবার ও প্রত্যক্ষদর্শীদের জন্য নিরাপদ তথ্য জমাদান পদ্ধতি।
- ন্যায়বিচার ও সহায়তা প্রচেষ্টার সাথে সমন্বয়।
যোগাযোগ
আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন: contact@julyvictims.org